Pages - Menu
▼
Pages - Menu
▼
Friday, 5 September 2014
সাবেক প্রেমিকাকে ২১ হাজার ৮০৭ বার ফোন করেছেন?
ভালোবাসা মানুষকে কখনও কখনও অন্ধ করে দেয়, কখনওবা পরিণত করে নিরেট নির্বোধে। এই প্রবাদের সত্যতা প্রমাণ করলেন ফ্রান্সের ৩৩ বছর বয়সী এক যুবক। তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। কথাটা অনেকের কাছেই অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। তবে সত্যিটা হলো সাবেক প্রেমিকাকে ২১ হাজার ৮০৭ বার ফোন করেছেন তিনি, পাঠিয়েছেন মেসেজ। এ কাজটা তিনি করেছেন মাত্র ১০ মাসে। প্রতিদিন গড়ে ৭৩টি ফোন কল দিয়েছেন তিনি। নিজের দোষ স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি। নিজ মুখেই বলেছেন, এমনটা করা বোকামি হয়েছে। তাকে ১০ বছর জেল দিয়েছে স্থানীয় আদালত। ১,৩০০ ডলার জরিমানাও গুণতে হবে তাকে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। সাবেক প্রেমিকার কাছ থেকে তিনি অনেকটা জোর করেই তাদের ফ্ল্যাটের বন্দোবস্ত করার জন্য ধন্যবাদ আদায় করতে চেয়েছিলেন। তাদের অ্যাপার্টমেন্টের যেসব কাজ তিনি করেছিলেন, তার ক্ষতিপূরণ চেয়েছিলেন তার কাছে। আদালতে তিনি বলেছেন, সে সময় আমার যুক্তি ছিল সে টাকা ফেরত না দেয়া পর্যন্ত বা অন্তত ধন্যবাদ না দেয়া পর্যন্ত, আমি কল দেয়া বন্ধ করবো না। শেষ পর্যন্ত ধন্যবাদ পেয়েছেন। কল দেয়াও বন্ধ করেছেন। তারপরও শেষরক্ষা হলো না। জেল-জরিমানার মুখে পড়তে হয়েছে ওই যুবককে। একই সঙ্গে তাকে মানসিক রোগের চিকিৎসা দেয়া হবে। তার সাবেক গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে। অতীতে হতাশায় আক্রান্ত হওয়ার জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। ২০১১ সালে গার্লফ্রেন্ড যখন তার সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করে চলে যান, সেটা মেনে নিতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে তাকে। ৩২ বছরের বছর বয়সী ওই গার্লফ্রেন্ড পেশায় শিক্ষিকা। তিনি ফোন ব্লক করার চেষ্টা করেছেন কয়েক বার, তার পিতামাতা ও কর্মক্ষেত্রেও ঘটনাটি জানিয়েছেন। এক মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত তিনি তার সাবেক প্রেমিককে ধন্যবাদ জানান। তার পর থেকেই হয়রানি বন্ধ। ওই যুবকও তার সঙ্গে আর কখনও যোগাযোগ করেননি। তা সত্ত্বেও ওই ১০ মাস হয়রানি করার মাশুল গুণতে হচ্ছে সাবেক প্রেমিককে।
Thursday, 4 September 2014
স্মার্টফোনের সবচেয়ে বড় সমস্যার নাম ব্যাটারির চার্জ। ব্যাটারি ডক্টর
নামানোর ঠিকানা: অ্যান্ড্রয়েড—http://bit.ly/1rXVwYz, আইওএস—http://bit.ly/1soc9Nq
অ্যাপ ইনস্টল করেই সেটি সক্রিয় (এনাবল) করে দিলেই কাজ শুরু করে ব্যাটারি ডিফেন্ডার নামের অ্যাপসটি। নোটিফিকেশন বারে কত শতাংশ চার্জ আছে, দ্রুত ওয়াই–ফাই, ডেটা, ব্লুটুথে যাওয়ার সুবিধা ইত্যাদি সহজেই পরিবর্তন এবং ব্যবহার করা যায় এ অ্যাপ দিয়ে। চার্জ বাঁচানোর জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওয়াইফাই বন্ধ হওয়া, ১৫-২০ সেকেন্ডে পর্দা বন্ধ হয়ে যাওয়া, জিনিয়াস সিংক্রোনাইজেশন নামের সুবিধার মাধ্যমে ১৫ মিনিট পর পর সিংক হওয়া, ঘুমানোর সময় ঠিক করে দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ডেটা, ওয়াইফাই বন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি কাজ করে এ অ্যাপটি। এ ছাড়া ব্যাটারির চার্জ ফুরিয়ে এলে এটি নিজে থেকেই ডেটা, ওয়াই–ফাই বন্ধ করে দেয়। নামানোর ঠিকানা: অ্যান্ড্রয়েড—http://bit.ly/WeoB60
কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন ছাড়াই স্মার্টফোনের চার্জ বাঁচানোর আরেকটি অ্যাপ হচ্ছে ইস্টার অ্যাপ। এ অ্যাপটি চার্জ বাঁচায় এমন অ্যাপগুলো ইনস্টল এবং চার্জ বেশি খরচ হয় সে ধরনের অ্যাপগুলো মুছে ফেলার পরামর্শ দেয় ব্যবহারকারীদের! অ্যাপ স্টোর থেকে চার্জ কম খরচ হয় এমন অ্যাপের তালিকা করে দেওয়া, কীভাবে এ অ্যাপগুলো কাজ করে ও ব্যবহার করা যায়, যে অ্যাপটি আপনি ব্যবহার করতে চান সেটির বিকল্প নানা ধরনের অ্যাপসের পরামর্শও দেওয়া ইস্টার অ্যাপ।
নামানোর ঠিকানা: অ্যান্ড্রয়েড—http://bit.ly/1BaBa1X
ঠোঁটকাটা বলে পরিচিত জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ গোলের পর গোল করে বুঝিয়ে দিচ্ছেন
ভ্রূ কুঁচকেছিলেন। কিন্তু ঠোঁটকাটা বলে পরিচিত জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ গোলের পর গোল করে বুঝিয়ে দিচ্ছেন, রোনালদো-মেসির চেয়ে তিনি কম কীসে! বরং সেই তুলনায় সেভাবে আলোটাই পড়ে না তাঁর ওপর।
পিএজসিতে নাম লিখে প্রথম দুই মৌসুমে ৭৬ গোল করা ইব্রা এই মৌসুমে ৩ ম্যাচে এরই মধ্যে করেছেন ৭ গোল। গত রোববার সেন্ট এতিয়েনের বিপক্ষে লিগে হ্যাটট্রিক করার পর কাল জাতীয় দলের জার্সি গায়ে করলেন জোড়া গোল। আর এই দুই গোলেই হয়ে গেল ইতিহাস। সুইডেনের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ৫০ গোল করলেন ইব্রা। এস্তোনিয়ার বিপক্ষে প্রীতিম্যাচে সুইডিশরাও জিতেছে ২-০ গোলে।
গত বিশ্বকাপে তাঁকে দেখতে না-পাওয়ার আক্ষেপটা ভক্তদের মধ্যে যেন দিনকে দিন বাড়িয়ে দেওয়ার পণ করেছেন। কাল ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই গোল করে সভেন রেইডেলের রেকর্ডটা ছুঁয়ে ফেলেন ইব্রা। সেই ১৯৩২ সালে সর্বশেষ খেলা রেইডেল এত দিন ছিলেন সুইডেনের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৮২ বছর পর সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়ে রেইডেলকে সত্যি সত্যিই ‘ইতিহাস’ বানিয়ে ফেলেন, ২৪ মিনিটে গোলের ফিফটি পূর্ণ করেন ইব্রা। জার্সি উঁচিয়ে ধরেন। ভেতরের টি-শার্টে সামনে খেলা ভেসে ওঠে: ‘৫০ গোল’, পেছনে লেখা, ‘তুমিই এটা সম্ভব করেছ!’
আন্তর্জাতিক ফুটবলে গোলের ফিফটি আছে মাত্র ৩০ জনের। সর্বশেষ এই কৃতিত্ব দেখিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তবে রোনালদোর ১১৪ ম্যাচের পাশে ৫০ গোল। যেখানে ইব্রা ৯৯ ম্যাচেই ফিফটি পূর্ণ করেছেন। এক শর কম ম্যাচ খেলে গোলের ফিফটি করার কৃতিত্ব আছে মাত্র আটজনের।
আগামী সোমবার অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ইউরো বাছাই পর্বের প্রথম ম্যাচটা তাঁর শততম ম্যাচ। উপলক্ষটাকে স্মরণীয় করতে ইব্রা এবার কোনো ‘অ্যাব্রাক্যাডাব্রা’ করেন সেটাই দেখার! এএফপি।
পিএজসিতে নাম লিখে প্রথম দুই মৌসুমে ৭৬ গোল করা ইব্রা এই মৌসুমে ৩ ম্যাচে এরই মধ্যে করেছেন ৭ গোল। গত রোববার সেন্ট এতিয়েনের বিপক্ষে লিগে হ্যাটট্রিক করার পর কাল জাতীয় দলের জার্সি গায়ে করলেন জোড়া গোল। আর এই দুই গোলেই হয়ে গেল ইতিহাস। সুইডেনের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ৫০ গোল করলেন ইব্রা। এস্তোনিয়ার বিপক্ষে প্রীতিম্যাচে সুইডিশরাও জিতেছে ২-০ গোলে।
গত বিশ্বকাপে তাঁকে দেখতে না-পাওয়ার আক্ষেপটা ভক্তদের মধ্যে যেন দিনকে দিন বাড়িয়ে দেওয়ার পণ করেছেন। কাল ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই গোল করে সভেন রেইডেলের রেকর্ডটা ছুঁয়ে ফেলেন ইব্রা। সেই ১৯৩২ সালে সর্বশেষ খেলা রেইডেল এত দিন ছিলেন সুইডেনের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৮২ বছর পর সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়ে রেইডেলকে সত্যি সত্যিই ‘ইতিহাস’ বানিয়ে ফেলেন, ২৪ মিনিটে গোলের ফিফটি পূর্ণ করেন ইব্রা। জার্সি উঁচিয়ে ধরেন। ভেতরের টি-শার্টে সামনে খেলা ভেসে ওঠে: ‘৫০ গোল’, পেছনে লেখা, ‘তুমিই এটা সম্ভব করেছ!’
আন্তর্জাতিক ফুটবলে গোলের ফিফটি আছে মাত্র ৩০ জনের। সর্বশেষ এই কৃতিত্ব দেখিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তবে রোনালদোর ১১৪ ম্যাচের পাশে ৫০ গোল। যেখানে ইব্রা ৯৯ ম্যাচেই ফিফটি পূর্ণ করেছেন। এক শর কম ম্যাচ খেলে গোলের ফিফটি করার কৃতিত্ব আছে মাত্র আটজনের।
আগামী সোমবার অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ইউরো বাছাই পর্বের প্রথম ম্যাচটা তাঁর শততম ম্যাচ। উপলক্ষটাকে স্মরণীয় করতে ইব্রা এবার কোনো ‘অ্যাব্রাক্যাডাব্রা’ করেন সেটাই দেখার! এএফপি।
Monday, 1 September 2014
গ্রিসের অর্থনৈতিক মন্দা
খবর: গ্রিসের অর্থনৈতিক মন্দা ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ধ্বংস করবে।ইতিহাসবিদ: হাজার বছরে আগে একসময় গ্রিকরা ট্রয়, মিসর, সিরিয়া ধ্বংস করেছিল। এখন পুরো ইউরোপ!
বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ার থেকে পাইলটকে বলা হচ্ছে, ‘এখন কে ল্যান্ড করতে যাচ্ছেন? পরিচয় দিন।’ রসিক পাইলটের উত্তর, ‘আন্দাজ করুন তো, কে?’ বেরসিক কন্ট্রোল টাওয়ার কর্মকর্তা রানওয়ের সব আলো নিভিয়ে দিয়ে বললেন, ‘আন্দাজ করে নামুন এবার।’
শিক্ষক: কে সবচেয়ে কম দামে জুতা বিক্রি করতে পারবে—প্রস্তুতকারক, না ডিস্ট্রিবিউটর?
ছাত্র: জুতার দোকানের পাহারাদার।
সাংবাদিক: আপনার কারখানায় কতজন কাজ করে?
সফল ব্যবসায়ী: আনুমানিক যতজন আছে তার অর্ধেকও না।
সুপার শপের ম্যানেজার: সেলসম্যান, আপনি এখানে কী করছেন?
সেলসম্যান: স্যার, আমি আপনার আদেশ পালন করছি।
ম্যানেজার: কই, আমি তো আপনাকে কিছুই বলিনি?
সেলসম্যান: তাই তো আমি কিছুই করছি না।
কখনো ভেবে দেখেছেন কি, গোলাকার পিৎজা কেন চার কোনা বাক্সে হোম ডেলিভারি দেওয়া হয়
নতুন যাঁরা টুইটারে নিবন্ধন করতে চান?
নতুন যাঁরা টুইটারে নিবন্ধন করতে চান তাঁদের জন্য বড় ধরনের চমক রেখেছে
মাইক্রোব্লগিং এই সাইটটির কর্তৃপক্ষ। সাইন আপ পাতা ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াতে
গত তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে টুইটার।
টুইটার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুনদের স্বাগত জানাতে নতুন করে সেজেছে টুইটার। হোম স্ক্রিনে সাম্প্রতিক টুইটসহ বিভিন্ন ছবি বারবার পরিবর্তিত হচ্ছে। এক খবরে আইএএনএস এ তথ্য জানিয়েছে।
টুইটারের পণ্য ব্যবস্থাপক ক্রিস্টিয়ান ওয়েস্টলিন এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন. ‘টুইটারের নতুন করে সাজাতে অনেক সময় লেগেছে। বর্তমানে টুইটারে ২৭ কোটিরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছে। প্রতিদিন টুইটারে ৫০ কোটি টুইট হয়। নতুন ব্যবহারকারীদের কাছে টুইটারকে আকর্ষণীয় করে তুলতে টুইটারকে আরও ভালো পদক্ষেপ নিতে হবে।’
টুইটারের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সক্রিয় টুইটার ব্যবহারকারীদের শতকরা ৭৮ ভাগ মোবাইল ব্যবহারকারী আর ৭৭ শতাংশ টুইটার ব্যবহারকারীই যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের বিভিন্ন দেশের নাগরিক
টুইটার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুনদের স্বাগত জানাতে নতুন করে সেজেছে টুইটার। হোম স্ক্রিনে সাম্প্রতিক টুইটসহ বিভিন্ন ছবি বারবার পরিবর্তিত হচ্ছে। এক খবরে আইএএনএস এ তথ্য জানিয়েছে।
টুইটারের পণ্য ব্যবস্থাপক ক্রিস্টিয়ান ওয়েস্টলিন এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন. ‘টুইটারের নতুন করে সাজাতে অনেক সময় লেগেছে। বর্তমানে টুইটারে ২৭ কোটিরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছে। প্রতিদিন টুইটারে ৫০ কোটি টুইট হয়। নতুন ব্যবহারকারীদের কাছে টুইটারকে আকর্ষণীয় করে তুলতে টুইটারকে আরও ভালো পদক্ষেপ নিতে হবে।’
টুইটারের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সক্রিয় টুইটার ব্যবহারকারীদের শতকরা ৭৮ ভাগ মোবাইল ব্যবহারকারী আর ৭৭ শতাংশ টুইটার ব্যবহারকারীই যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের বিভিন্ন দেশের নাগরিক
অ্যাপটিতে যুক্ত হচ্ছে ভয়েস কলিং ফিচার
ব্যবহারকারীদের
জন্য শিগগিরই নতুন একটি সুবিধা আনছে হোয়াটসঅ্যাপ। অ্যাপটিতে যুক্ত হচ্ছে
ভয়েস কলিং ফিচার। ফিচারটির সাহায্যে বিনা মূল্যে ভয়েস কল করার সুবিধা
পাবেন ব্যবহারকারী।
এর কল্যাণে সাফল্যের বিবেচনায় আরও একধাপ এগিয়ে গেল হোয়াটসঅ্যাপ। সম্প্রতি হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দিয়েছে, তাদের সাইটটিতে মাসে ৬০ কোটিরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছেন। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে ফেসবুকের অধীনে যাওয়ার পর থেকে হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৫ শতাংশ বেড়েছে।
সম্প্রতি হোয়াটসঅ্যাপের ইন্টারফেসে পরিবর্তন আসছে বলেও তথ্য ফাঁস হয়েছে। দ্য ফিউজ জেপলিন নামের একটি ওয়েবসাইট দাবি করেছে, হোয়াটসঅ্যাপের ইন্টারফেসের পরিবর্তনের বিষয়টিই ভয়েস কল ফিচারটি যে যুক্ত হতে যাচ্ছে, তার নিশ্চিত ইঙ্গিতবহ। আর এর ইন্টারফেস দেখে মনে হচ্ছে ভাষান্তর করার ফিচারটিও থাকবে।
এর আগে বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে এ বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকেই টেক্সট ও ফটো বার্তার পাশাপাশি ভয়েস কলিং ফিচার আনার কথা জানিয়েছিলেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী জন কউম।
তিনি ওই সময় বলেছিলেন, ‘যেকোনো জায়গা থেকে পরস্পরের সঙ্গে সংযোগ বজায় রাখতে আমরা উদ্যোগ নিচ্ছি। স্মার্টফোনে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি তাঁদের জন্য সহজ যোগাযোগমাধ্যম তৈরির জন্যও কাজ চলছে
এর কল্যাণে সাফল্যের বিবেচনায় আরও একধাপ এগিয়ে গেল হোয়াটসঅ্যাপ। সম্প্রতি হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দিয়েছে, তাদের সাইটটিতে মাসে ৬০ কোটিরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছেন। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে ফেসবুকের অধীনে যাওয়ার পর থেকে হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৫ শতাংশ বেড়েছে।
সম্প্রতি হোয়াটসঅ্যাপের ইন্টারফেসে পরিবর্তন আসছে বলেও তথ্য ফাঁস হয়েছে। দ্য ফিউজ জেপলিন নামের একটি ওয়েবসাইট দাবি করেছে, হোয়াটসঅ্যাপের ইন্টারফেসের পরিবর্তনের বিষয়টিই ভয়েস কল ফিচারটি যে যুক্ত হতে যাচ্ছে, তার নিশ্চিত ইঙ্গিতবহ। আর এর ইন্টারফেস দেখে মনে হচ্ছে ভাষান্তর করার ফিচারটিও থাকবে।
এর আগে বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে এ বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকেই টেক্সট ও ফটো বার্তার পাশাপাশি ভয়েস কলিং ফিচার আনার কথা জানিয়েছিলেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী জন কউম।
তিনি ওই সময় বলেছিলেন, ‘যেকোনো জায়গা থেকে পরস্পরের সঙ্গে সংযোগ বজায় রাখতে আমরা উদ্যোগ নিচ্ছি। স্মার্টফোনে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি তাঁদের জন্য সহজ যোগাযোগমাধ্যম তৈরির জন্যও কাজ চলছে
ইজোনেন্স হলো এমন একটি অনুষ্ঠান, যেখানে একই সঙ্গে উৎসব হবে, আবার প্রতিযোগিতাও হবে
গাজীপুরে অবস্থিত ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) তড়িৎকৌশল
বিভাগের উদ্যোগে প্রযুক্তিবিষয়ক বহুমাত্রিক আয়োজন ‘ইজোনেন্স’। এই
প্রতিযোগিতায় রোবটিকস থেকে শুরু করে প্রোজেক্ট, বিজনেস কেস স্টাডি এমনকি
কুইজ প্রতিযোগিতাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
‘ইজোনেন্স নামটি ইংরেজি “রেজোন্যান্স” থেকে নেওয়া। ইজোনেন্স হলো এমন একটি অনুষ্ঠান, যেখানে একই সঙ্গে উৎসব হবে, আবার প্রতিযোগিতাও হবে, কিন্তু এ সবকিছুকে ছাপিয়ে নব্য আবিষ্কারের প্রতি তরুণদের অনুরণিত করাটাই আমাদের মূল লক্ষ্য,’ বলছিলেন আয়োজন সমন্বয়কারী আইইউটির তড়িৎকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক খোন্দকার হাবিবুল কবির।
২২ আগস্ট এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৪৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীর সমাগম ঘটে আইইউটি ক্যাম্পাসে, যার মধ্যে আইইউটি ছাড়াও উল্লেখযোগ্য হচ্ছে বুয়েট, কুয়েট, রুয়েট, আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
সকাল থেকেই আইইউটির লাল-সবুজময় নিরিবিলি ক্যাম্পাস মুখরিত হয়ে ওঠে সারা দেশ থেকে আসা হবু প্রকৌশলীদের পদচারণায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মঞ্চ আলোকিত করেন প্রধান অতিথি শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষ হওয়ামাত্রই শুরু হয়ে যায় দিনের সবচেয়ে বড় ইভেন্ট রোবোম্যানিয়া। এ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়ে এক লাখ টাকার প্রাইজমানি জিতে নেয় সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) দল ‘সঞ্চারপথিক’। দলের সদস্যরা হলেন রাগিব শাহরিয়ার, ফারহানুল ইসলাম, নিশিকান্ত সরকার ও শাখাওয়াত হোসেন। নিজেদের সাফল্যে অভিভূত দলের সদস্যরা শিক্ষক ও বড় ভাইদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ইজোনেন্সের আরেকটি বড় ইভেন্ট ছিল প্রোজেক্ট প্রদর্শন। হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার দুই ধরনের প্রোজেক্টে যেন সৃজনশীলতার ছড়াছড়ি। হার্ডওয়্যার প্রোজেক্ট প্রদর্শনীতে প্রথম স্থান অধিকার করে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) দল ‘দুরন্ত’। এই দলের সদস্যরা হলেন নাহিদুজ্জামান, নাসিফ আহমেদ ও সানজিদা হোসেন। অন্যদিকে সফটওয়্যার প্রোজেক্ট প্রদর্শনীতে একমাত্র পুরস্কার জিতে নেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাকিবুল আজম ও এমএ মাহমুদ চৌধুরীর দল ‘এক্স-নভিস’।
দুপুরের পর ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টি ছাপিয়ে শুরু হয় প্রকৌশলীদের জন্য খুব প্রয়োজনীয় একটি সফটওয়্যার ম্যাটল্যাব প্রতিযোগিতা। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সফটওয়্যারে নিজের পারদর্শিতা প্রমাণের জন্য ম্যাটল্যাব কোডিং চ্যালেঞ্জে ছিল ১০টি সমস্যার সমাধান করা। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই কাজটি করে প্রথম পুরস্কার জিতে নেন বুয়েটের তারিকুল ইসলাম।
এদিকে দেশের সার্বিক উন্নতির জন্য যে শুধু ভালো প্রকৌশলী হলেই চলে না, ব্যবসায়িক বুদ্ধিও থাকতে হয়, যেন এটাই মনে করিয়ে দেওয়ার জন্যই ইজোনেন্সের বাড়তি আকর্ষণ ছিল বিজনেস কেস স্টাডি। এ বিভাগে সেরা হয় আইইউটির দল ‘ইভিল জিনিয়াস’। দলের সদস্যরা হলেন সিফাত শাহরিয়ার খান, জিয়াউল হক ও সৈয়দ আহনাফ মোর্শেদ।
প্রযুক্তিবিষয়ক এই ‘ইজোনেন্স’
‘ইজোনেন্স নামটি ইংরেজি “রেজোন্যান্স” থেকে নেওয়া। ইজোনেন্স হলো এমন একটি অনুষ্ঠান, যেখানে একই সঙ্গে উৎসব হবে, আবার প্রতিযোগিতাও হবে, কিন্তু এ সবকিছুকে ছাপিয়ে নব্য আবিষ্কারের প্রতি তরুণদের অনুরণিত করাটাই আমাদের মূল লক্ষ্য,’ বলছিলেন আয়োজন সমন্বয়কারী আইইউটির তড়িৎকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক খোন্দকার হাবিবুল কবির।
২২ আগস্ট এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৪৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীর সমাগম ঘটে আইইউটি ক্যাম্পাসে, যার মধ্যে আইইউটি ছাড়াও উল্লেখযোগ্য হচ্ছে বুয়েট, কুয়েট, রুয়েট, আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
সকাল থেকেই আইইউটির লাল-সবুজময় নিরিবিলি ক্যাম্পাস মুখরিত হয়ে ওঠে সারা দেশ থেকে আসা হবু প্রকৌশলীদের পদচারণায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মঞ্চ আলোকিত করেন প্রধান অতিথি শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষ হওয়ামাত্রই শুরু হয়ে যায় দিনের সবচেয়ে বড় ইভেন্ট রোবোম্যানিয়া। এ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়ে এক লাখ টাকার প্রাইজমানি জিতে নেয় সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) দল ‘সঞ্চারপথিক’। দলের সদস্যরা হলেন রাগিব শাহরিয়ার, ফারহানুল ইসলাম, নিশিকান্ত সরকার ও শাখাওয়াত হোসেন। নিজেদের সাফল্যে অভিভূত দলের সদস্যরা শিক্ষক ও বড় ভাইদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ইজোনেন্সের আরেকটি বড় ইভেন্ট ছিল প্রোজেক্ট প্রদর্শন। হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার দুই ধরনের প্রোজেক্টে যেন সৃজনশীলতার ছড়াছড়ি। হার্ডওয়্যার প্রোজেক্ট প্রদর্শনীতে প্রথম স্থান অধিকার করে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) দল ‘দুরন্ত’। এই দলের সদস্যরা হলেন নাহিদুজ্জামান, নাসিফ আহমেদ ও সানজিদা হোসেন। অন্যদিকে সফটওয়্যার প্রোজেক্ট প্রদর্শনীতে একমাত্র পুরস্কার জিতে নেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাকিবুল আজম ও এমএ মাহমুদ চৌধুরীর দল ‘এক্স-নভিস’।
দুপুরের পর ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টি ছাপিয়ে শুরু হয় প্রকৌশলীদের জন্য খুব প্রয়োজনীয় একটি সফটওয়্যার ম্যাটল্যাব প্রতিযোগিতা। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সফটওয়্যারে নিজের পারদর্শিতা প্রমাণের জন্য ম্যাটল্যাব কোডিং চ্যালেঞ্জে ছিল ১০টি সমস্যার সমাধান করা। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই কাজটি করে প্রথম পুরস্কার জিতে নেন বুয়েটের তারিকুল ইসলাম।
এদিকে দেশের সার্বিক উন্নতির জন্য যে শুধু ভালো প্রকৌশলী হলেই চলে না, ব্যবসায়িক বুদ্ধিও থাকতে হয়, যেন এটাই মনে করিয়ে দেওয়ার জন্যই ইজোনেন্সের বাড়তি আকর্ষণ ছিল বিজনেস কেস স্টাডি। এ বিভাগে সেরা হয় আইইউটির দল ‘ইভিল জিনিয়াস’। দলের সদস্যরা হলেন সিফাত শাহরিয়ার খান, জিয়াউল হক ও সৈয়দ আহনাফ মোর্শেদ।
প্রযুক্তিবিষয়ক এই ‘ইজোনেন্স’
