Pages - Menu

Pages - Menu

Thursday, 15 December 2016

সহজেই ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব সিপিএ মার্কেটিংয়ে

এস এম বেলাল উদ্দিন শুভ, ডিজিটাল মার্কেটিং দিয়ে শুরু করলেও তিনি এখন দেশের একজন অন্যতম সেরা অ্যাফিলিয়েট এবং সিপিএ মার্কেটার। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে ফিন্যান্স অ্যান্ড মার্কেটিংয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি ২০১১ সাল থেকে ফ্রিল্যান্সিংয়ের সাথে তার পথ চলা শুরু। পড়াশুনা শেষে এটাকেই তিনি ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নেন। বর্তমানে তিনি আমেরিকান টি-শার্ট কোম্পানি গিয়ার লঞ্চ (Gear Launch)--এর কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছেন। এছাড়াও তিনি দেশীয় সিপিএ মার্কেট প্লেস ওয়ারিওর নিশ (Warrior niche)-এর প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। সিপিএ’র নানা বিষয় নিয়ে দৈনিক ইনকিলাবের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় ছিলেন এই সিপিএ মার্কেটার। সাথে ছিলেন নুরুল ইসলাম।
ইনকিলাব : সিপিএ কী? 
বেলাল উদ্দিন : সিপিএ (CPA)-এর পূর্ণাঙ্গ রূপ হচ্ছে Cost Per Action বা Cost Per Acquisition। এটি এমন একটি মার্কেটিং পদ্ধতি যেখানে রেজিস্ট্রেশন, ই-মেইল সাবমিট, সার্ভে, পিন সাবমিট, ডাউনলোডসহ কিছু কাজের মাধ্যমে সেবা বা পণ্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্ভাব্য ক্রেতার সংযোগ ঘটিয়ে মার্কেটাররা কমিশন পেয়ে থাকে। এক্ষেত্রে সেবা বা পণ্যের বিক্রয়ের পরবর্তী ধাপগুলো কোম্পানি নিজেই করে থাকে। ফলে প্রচলিত মার্কেটিং ব্যবস্থার থেকে ব্যতিক্রম অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের এই পদ্ধতিটি অনেক সহজ এবং এখান থেকে কয়েকগুণ বেশি আয় করাও সম্ভব। ধরুন কোন কোম্পানি নতুন একটি অ্যান্টি ভাইরাস বাজারে ছাড়লো এবং সাত দিনের পরীক্ষামূলক ব্যবহারের জন্যে বিনা মূল্যের একটি অফার দিল। সিপিএ মার্কেটারদের বলা হলো, প্রতিটি ফ্রি পরীক্ষামূলক ব্যবহারকারীর জন্য ২ ডলার করে দেয়া হবে। অর্থাৎ মার্কেটারকে দেয়া অ্যাফিলিয়েট লিংকে ক্লিক করে কেউ যখন ৭ দিনের জন্যে এন্টিভাইরাসটি ফ্রিতে ব্যবহার করে, তখন সেই মার্কেটার ২ ডলার কমিশন পায়। এখন প্রশ্ন আসতে পারে ফ্রিতে ব্যবহার করতে দিয়ে এবং মার্কেটারদের কমিশন দিয়ে কোম্পানির কী লাভ? পণ্য বা সেবাদাতা কোম্পানি বিনামূল্যে ক্রেতাদের কিছু নির্দিষ্ট সুবিধা দিয়ে থাকে, যাতে পরবর্তীতে টাকা দিয়ে পণ্য বা সেবা কিনতে উদ্বুদ্ধ হয়। এই পদ্ধতিটি সিপিএ মার্কেটারদের মত কোম্পানিগুলোর জন্যও লাভজনক। তারা স্বল্প খরচে তাদের সেবা ও পণ্যগুলো গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিতে পারে। এজন্য বিশ্বের বড় বড় কোম্পানি তাদের পণ্য বা সেবার অফারগুলো সিপিএ মার্কেট প্লেসে দিয়ে থাকে। বিশ্বব্যাপী সেরা সিপিএ মার্কেট প্লেসগুলো হচ্ছে- ম্যাক্স বাউন্টি (MaxBounty), পিয়ার ফ্লাই (PeerFly), ক্লিক বুথ (Clickbooth), ক্লিক ডিলার (clickdealer), মুন্ডু মিডিয়া (Mundomedia), সিপিএ লিড (CPAlead), সিপিএ গ্রিপ (CPA grip),  সিপিএ ফুল (CPAfull), এডওয়ার্ক মিডিয়া (AdWork Media)ইত্যাদি। এরমধ্যে সিপিএ গ্রিপ, সিপিএ ফুল নতুনদের জন্য ভালো। সবগুলো সিপিএ মার্কেট প্লেসগুলোতে রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি প্রায় একই রকম। প্রথমে ব্যক্তিগত তথ্য (নাম, ইমেইল, লোকেশন / কান্ট্রি, জন্ম তারিখ ইত্যাদি) দিতে হবে, তারপর আবেদনকারীর ওয়েব সাইটের ঠিকানা, মার্কেটিং পদ্ধতি, ওই নেটওয়ার্কে কেন এবং কীভাবে কাজ করতে চান, কোন ট্রাফিক ম্যাথড ব্যবহার করছেন, কীভাবে তাদের নেটওয়ার্ক সম্পর্কে জানতে পেরেছেন, অন্য কোন কোন নেটওয়ার্কে বর্তমানে কাজ করছেন কিনা এসব তথ্য চাওয়া হয়। অনেকেই অ্যাকাউন্ট পাবার জন্য মিথ্যা অথবা ভুল তথ্য দিয়ে থাকেন, যা পরবর্তীতে ফোন/স্কাইপ ইন্টারভিউ (যদি নেয়) কিংবা অ্যাকাউন্ট রিভিউ করার সময় ধরা পরতে হয়। মার্কেট প্লেসগুলোতে নিজস্ব সাইট কিংবা ইউটিউব চ্যানেল ছাড়া অনুমোদন পাওয়া যায় না। তাই নিজেকে সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত করে এবং একটা সাইট তৈরি করে মার্কেট প্লেসগুলোতে আবেদন করা উচিত।
ইনকিলাব : কারা এই পেশায় ভালো করতে পারবে?
বেলাল উদ্দিন : যাদের মার্কেটিংয়ে কাজ করার প্রতি আগ্রহ আছে। আছে ধৈর্য। কারণ মার্কেটিংয়ে অল্পতে ধৈর্য হারালে সফল হওয়া সম্ভব নয়। আর সিপিএ মার্কেটিংয়ের পুরো কাজটাই যেহেতু করতে হয় আন্তর্জাতিক ক্লাইন্ট এবং ক্রেতাদের সাথে, সেহেতু ইংরেজিতে অবশ্যই পারদর্শী থাকতে হবে। ক্লাইন্ট এবং ক্রেতাদেরকে নিয়ে গবেষণা করার মানসিকতা থাকতে। সিপিএ মার্কেটিংয়ে এই শ্রেণির মানুষরাই ভালো করতে পারবে। আর যারা মার্কেটিংয়ে লেখাপড়া করছে বা করেছে তাদের জন্য কাজটা একটু সহজ হবে। তবে শেখার প্রতি প্রবল ইচ্ছে ও কাজের প্রতি আন্তরিকতা থাকলে শিক্ষিত যেকোন মানুষের পক্ষে এই সেক্টরে ভালো করা সম্ভব। কারণ মানুষ চেষ্টা করলে অনেক কিছুই পারে।
ইনকিলাব : নির্ভরযোগ্যতা ও স্থায়িত্বের বিচারে ক্যারিয়ার হিসেবে সিপিএ কেমন? 
বেলাল উদ্দিন : রেকুটেন মার্কেটিং (Rakuten Marketing)এর এ বছরে করা এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৯০% বিজ্ঞাপনদাতাদের মতে, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বিশেষ করে সিপিএ তাদের সকল মার্কেটিং সফলতার অন্যতম মাধ্যম। বাৎসরিক ২০% রেভিনিউ তারা পায় সিপিএ মার্কেটারদের কাছ থেকে। ১৯৫ বিলিয়ন ডলারের ডিজিটাল মার্কেটিং ইন্ডাস্ট্রির ৬.৮ বিলিয়ন ডলারই সিপিএ মার্কেটিংয়ের দখলে। বড় বড় কোম্পানিগুলো তাদের ১০% মার্কেটিং বাজেট অ্যাফিলিয়েট এবং সিপিএর জন্য বরাদ্দ রাখে। সুতরাং একথা নির্দ্বিধায় বলা যায় যে, নির্ভরযোগ্যতা ও স্থায়িত্বের বিচারে ক্যারিয়ার হিসেবে সিপিএ অবশ্যই ভালো এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে সিপিএ মার্কেটিং অনেক সম্ভাবনাময়ী একটি পেশা। তবে সেটা করতে হবে সঠিক উপায়ে। অনেকেই না জেনে না বুঝে ভুল পদ্ধতিতে মার্কেটিং অফার প্রমোট করেন। যার কারণে অ্যাকাউন্ট হারাতে হয়। সিপিএতে সাধারাণত কোম্পানিগুলো একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে অফারগুলো দিয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে যে সকল মার্কেটার শর্ট কাট খুঁজে এবং বিভিন্ন জায়গায় লিঙ্ক শেয়ার করে বেড়ায় (স্পামিং) সে বিপদে পড়বে। কারণ অফার শেষ হবার সাথে সাথে ওই সব লিংক অকার্যকর হয়ে যাবে। তাই দীর্ঘমেয়াদি আয় পেতে মার্কেটারদের উচিত যে বিষয়ে কাজ করবে সে বিষয়ের উপর একটা ওয়েবসাইট খুলে সেখানে ওই বিষয়ের সুবিধাগুলো তুলে ধরে লেখার মধ্যে অ্যাফিলিয়েট লিংক দিয়ে দেয়া। যে লিংকটি দিবেন তার অফার যদি শেষ হয়ে যায়, তাহলে ওটা সরিয়ে ওই বিষয়ক অন্য অফারের লিংক যোগ করে দিবেন। এতে করে এখান থেকে আপনি স্থায়ী ইনকামের ব্যবস্থা করতে পারবেন।
ইনকিলাব : আপনি কীভাবে সিপিএ’র কাজ শুরু করেন? 
বেলাল উদ্দিন : ফিন্যান্স অ্যান্ড মার্কেটিংয়ে লেখাপড়ার সুবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন সময় থেকেই ডিজিটাল মার্কেটিং শুরু করি। প্রথমে আমি ইল্যান্স (বর্তমানে আপওয়ার্ক) এ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের কাজ করতাম। ২০১২ সালের শুরুর দিকে ফ্রান্সের একটি পারফিউম কোম্পানির জন্য এক ক্লাইন্ট আমাকে ভালো বাজেটের একটি কাজ দেয়। আমি তখন ভাবতে থাকি, এত বড় প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব মার্কেটার নেই? সব আমাকে দিয়ে কেন করাচ্ছে? প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে জানতে পারলাম ক্লাইন্ট সরাসরি কোম্পানির কেউ না। তিনি একজন অ্যাফিলিয়েট মাত্র। এরপর আমি নিজেও ঐ কোম্পানিতে অ্যাফিলিয়েট/সিপিএ মার্কেটার হিসেবে আবেদন করি এবং অভিজ্ঞতা না থাকায় আমার আবেদনটি বাতিল করা হয়। এরপরে সিপিএর উপর পড়াশুনা শুরু করি। প্রয়োজনীয় শিক্ষা লাভের পর পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট তৈরি করে বিভিন্ন অ্যাফিলিয়েট এবং সিপিএ নেটওয়ার্কে আবেদন করি এবং কাজ শুরু করি। পরবর্তীতে ঐ ক্লায়েন্টের সাথে আমার কোম্পানি টেক নাইন বেশ কিছু প্রজেক্ট পার্টনারশিপে করে। এভাবেই আসলে শুরু করা। 
ইনকিলাব : এখানে খ-কালীন কাজের সুযোগ কতটুকু? 
বেলাল উদ্দিন : সিপিএ মার্কেটিংয়ে কোন কাজের জন্য বিড করতে হয় না। এজন্য এখানে কাজ করা অনেক সহজ। এখানে বিভিন্ন ধরনের অফার আছে, যে যার মত অফার পছন্দ করে কাজ করতে পারে। তাই লেখাপড়া বা চাকরিসহ যেকোন পেশার পাশাপাশি সিপিএ করার সুযোগ আছে। তবে প্রথমে তাকে কাজ সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিতে হবে। সিপিএ মার্কেটিং এ দীর্ঘমেয়াদি অফারগুলো প্রমোট করাটা আমি বেশি ভালো মনে করি। তবে স্বল্পমেয়াদি অফার প্রমোট করে অল্প সময়ে বেশি আয় করা সম্ভব, কারণ তখন সে ধরনের অফারের চাহিদা থাকে। যদি উদাহরণ হিসেবে বলি আমেরিকান নির্বাচনের কিছু অফার ছিল যেগুলো বেশ ভালো চললেও নির্র্বাচন শেষ হবার সাথে সাথে অফারগুলো শেষ হয়ে যায়। কিন্তু ইউএস ইলেকশন হওয়ার কারণে এটা নিয়ে কাজ করে মার্কেটাররা ভালো উপার্জন পেয়েছে। 
ইনকিলাব : প্রতি মাসে এখান থেকে কত টাকা আয় করা যায়? 
বেলাল উদ্দিন : সিপিএতে আয়ের কোন ধরাবাঁধা হিসেব আসলে দেয়া সম্ভব না। এটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে একজন মার্কেটারের মেধা, সময়, সৃজনশীলতা এবং যদি পেইড ট্রাফিকে কাজ করে, তবে তার বিনিয়োগের উপরে। যিনি কিছুই জানেন না, সে যদি নিয়মিত কয়েক মাস ৪/৫ ঘণ্টা করে শেখার পেছনে সময় দেন, তাহলে পরবর্তীতে মাসে ৫০০ ডলারের উপরে আয় করতে পারবেন বলে আশা করা যায়। সিপিএ মার্কেট প্লেসগুলো থেকে পেমেন্ট উত্তোলনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য পেওনিয়ার সব চেয়ে ভালো। আর বেশিরভাগ মার্কেট প্লেসে এখন পেওনিয়ার দিয়ে টাকা তোলা যায়। এছাড়া ওয়ার ট্রান্সফারের মাধ্যমে ব্যাংকে টাকা আনা যায়। তবে সেক্ষেত্রে অনেক বেশি চার্জ ও সময় লেগে যায়।
ইনকিলাব : এই সেক্টরের সুবিধা ও অসুবিধাগুলো কী কী? 
বেলাল উদ্দিন : সঠিক প্রশিক্ষণ না পাওয়ার কারণে বাংলাদেশি মার্কেটাররা কিছু ভুল পদ্ধতিতে (স্পামিং) কিছু ভুল অফার (স্ক্যামিং) প্রমোট করে থাকে, যার ফলে সাময়িকভাবে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া গেলেও পরবর্তীতে পেমেন্ট না পাওয়া, অ্যাকাউন্ট বাতিল হওয়াসহ নানা ঝামেলার সম্মুখীন হতে হয়। কিছু ভালো নেটওয়ার্ক বাংলাদেশিদের অনুমোদন দেয়া কমিয়ে দিয়েছে। কেউ কেউ বাংলাদেশ থেকে রেজিস্ট্রেশনই করতে দেয় না। ইন্টারনেটের কম গতি এবং গ্রাহক পর্যায়ে অধিক মূল্যের কারণে সবার পক্ষে সিপিএতে আশা সম্ভব হয় না। এছাড়া সর্বজনীন সমস্যা কাজ শেষে টাকা উত্তোলনের মাধ্যম। অনেক নেটওয়ার্কে পেপাল ছাড়া আয়কৃত টাকা গ্রহণ করার কোন মাধ্যম থাকে না। এতে মার্কেটাররা বিপাকে পরে। আরেকটি সমস্যা হল মূলধনের অভাব। সিপিএতে পেইড মার্কেটিং করলে দ্রুত ভালো ফলাফল বা উপার্জন পাওয়া যায়। বিনিয়োগের সমস্যার কারণে অনেককে পিছিয়ে পড়তে হয়। যদিও ফ্রি ট্রাফিকে কাজ করেও অথরিটি বিল্ড আপ করার মাধ্যমে ভালো আয় করা যায়। সুবিধা হচ্ছে, এই সেক্টরের অন্যান্য কাজের তুলনায় এটা একটু সহজ। উপার্জনও ভালো। ইচ্ছা শক্তি ও কাজের প্রতি একাগ্রহতা থাকলে অতি দ্রুত সিপিএ মার্কেটার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা যায়। তবে শুরুতে সময় একটু বেশিই দিতে হবে। যখন নিজের কাজ, নিজের টিম গুছিয়ে নিয়ে আসতে পারবে, তখন সময় কম দিলেই হয়। তবে নিয়মিত করতে হবে অবশ্যই। কাজ শুরু করে বন্ধ করে দেয়া বা প্রস্তুতি না নিয়ে কাজ শুরু করাটা একদমই ঠিক হবে না।
ইনকিলাব : নতুনরা কোথায় এবং কীভাবে সিপিএ শিখবে? 
বেলাল উদ্দিন : সিপিএ মার্কেটিং শেখার সব চেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে অনলাইন। গুগল, ফেইসবুক, ইউটিউব, ব্লগ ইত্যাদি। ইন্টারন্যাশনাল অনেক বড় বড় ফোরাম, ফেইসবুক গ্রুপ, পেইজ আছে, যেগুলোতে সক্রিয় থাকলে নতুন আপডেট, মার্কেটিং পদ্ধতি, ট্রিকস এন্ড টিপস পাওয়া যায়। এছাড়াও দেশীয় কিছু প্রতিষ্ঠান সিপিএ’র উপর প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। তবে সেগুলোতে প্রশিক্ষণ নেয়ার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। মানে তাদের সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিতে হবে। আর আমরা সম্প্রতি বাংলাদেশি মার্কেটারদের কথা চিন্তা করে ওয়ারিওর নিশ নামে একটি সিপিএ নেটওয়ার্ক চালু করি। যেখানে ওয়ারিওর নিশ একাডেমি নামে একটি অংশ রাখা হয়েছে, যেখানে একদম শুরু থেকে সিপিএ’র সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে যে কেউ সিপিএ মার্কেটিং শিখতে পারবে। 
ইনকিলাব : আগ্রহীদের জন্য আপনার পরামর্শ। 
বেলাল উদ্দিন : নতুনদের বলবো ভালোভাবে বুঝে শুনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করে এই পেশায় আসতে। স্পামিং / স্কামিং করে টিকে থাকা কষ্টকর। আমার মতে, একটি সফল মার্কেটিং ক্যাম্পেইন নির্ভর করে গবেষণার উপর। নতুনরা গবেষণায় সময় না দিয়ে শুরুতে তাড়াহুড়া করে, তাই ভালো উপার্জন পায় না। নিজেকে সব সময় আপডেটেড রাখার জন্যে প্রতিদিন দিনের নির্দিষ্টি একটি সময় করে এ বিষয়ক সংবাদ, মার্কেটিং ফোরাম এবং ব্লগগুলো ঘাটাঘাটি করা উচিত। সৃষ্টিশীল মানসিকতা বিকাশের জন্যে বিশ্বে বড় বড় মার্কেটারদের মার্কেটিং পদ্ধতি, বিজ্ঞাপনের ডিজাইন, কনটেন্টগুলো নিয়মিত দেখতে হবে। সব মিলিয়ে সফল সিপিএ মার্কেটার হওয়ার জন্যে প্রচুর পড়াশুনা করতে হবে। তাছাড়া সিপিএতে প্রচুর অ্যাডালট/গ্যাম্বেলিং অফার থাকে। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সেগুলো প্রমোট করা থেকে বিরত থাকা উচিৎ। ধৈর্য ধরে লেগে থাকলে ওসব অনৈতিক বিষয় ছাড়াই সিপিএ মার্কেটিংয়ে প্রচুর আয় করা সম্ভব। সবশেষে বলব, কাজটাকে ভালোবাসুন আর নিজের কাজে ভরসা রাখুন। সফলতা আসবেই, ইনশাআল্লাহ।

প্রতিমাসে ২০,০০০+ আয় করতে পারবেন | Paidverts কি?

Paidverts কি? 
PaidVerts
একটি PTC সাইট। ২০১৪ সালের ৩১শে মার্চ এই সাইট টি যাত্রা শুরু করে। এটির আয়ের সিস্টেম অন্যান্য পিটিসি সাইট এর থেকে একটু আলাদা। তাই এই সাইট থেকে আয় টা অন্যান্য সাইটের তুলনায়একটু হাইব্রিড টাইপের হয়ে।­­­ 
বর্তমানে পিটিসি জগতে এটি ৩ নাম্বার এঅবস্থান করছে এবং হাতে গোনা কয়েকটি Trusted PTC site এর মধ্যে এটি অন্যতম। আপনি নির্দিধায় এখানে কাজ করতেপারেন। আর সব থেকে বড় সুবিধা হল এটিমোবাইল ফোন সাপোর্ট করে। মানে আপনি নির্দ্বিধায় মোবাইল ফোন থেকেও এই সাইটের কাজ করতে পারেন। তবে অবশ্যই স্মার্টফোন হতে হবে। এটির মালিক JO COOK 

Paidverts
থেকে আয় শুরু করার আগে কিভাবে আপনাকে মাইন্ড সেট আপ দিতে হবে ? 
ভাই আসলে আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে আপনাকে এই কথা গুলো শেয়ার করতেছি। Paidverts থেকে ইনকাম করতে হলে আপনাকে প্রথমে মানিয়ে নিতে হবে যে আপনি খুব কঠোর পরিশ্রমী কেননা Paidverts এ আপনি যখন নতুন রেজিস্ট্রেশান করে কাজ শুরু করবেন তখন আপনাকে মহামূল্যবান অ্যাড দিবে না JO COOK তখন আপনাকে ১৬ টা অ্যাড দিবে যা ক্লিক করলে আপনি শুধু বাপ পয়েন্ট পাবেন (১৬*২৫=৪০০)। এই ভাবে আপনি ফাস্ট ৭ দিন ১৬ টা করে অ্যাড পাবেন। তারপর থেকে আপনি ৮ টা করে অ্যাড পাবেন। প্রথম দিন ১৬ টা অ্যাড ভিউ করার পর আপনি কিছু সেন্ট আর অ্যাড পাবেন। তার পরদিন থেকে আপনি পেইড অ্যাড + বাপ অ্যাড পাবেন। এরপর আস্তে আস্তে আপনার ইনকাম শুরু হবে। তো আপনাকে বাপ পয়েন্ট এর বিনিময়ে পেইড অ্যাড দিবে। তো আপনার যত বেশি বাপ পয়েন্ট থাকবে আপনি তত বেশি সেন্ট এর অ্যাড পাবেন। এখন আর মাইন্ড সেট আপের ব্যাপারে আর কথা বলব না। কারন বাকী টা আপনি নিচের আর্টিকেল টা মনোযোগ সহকারে পড়লে বুঝতে পারবেন। শুধু আপনাকে একটা কথা মনে রাখতে হবে Paidverts হলো এমন একটা পিটিসি সাইট যেটা আপনাকে একটা ৩০ সেকেন্ড অ্যাড দেখার বিনিময়ে সবচেয়ে বড় অ্যাড ২০০ ডলারের পর্যন্ত দিয়ে থাকে। তো আপনাকে অনেক কষ্ট করতে হবে প্রথম দিকে। প্রতেক টা অ্যাড দেখতে হবে যত ছোট অ্যাড ই হোক না কেন। কিন্তু কিছু দিন পর যখন আপনি ১ ডলার ইনভেস্ট করবেন তখন থেকে ভালো ভালো অ্যাড পাওয়া শুরু করবেন। সো আপনাকে ১.০৫ ডলার বানানো পর্যন্ত অনেক কষ্ট করতে হবে। 

Paidverts
থেকে কি পরিমাণ আয় করতে পারবেন? 
আমি বুঝতে পারছিনা এখান থেকে আয়ের পরিমাণ টা আমি আপনাদের কিভাবে বলব। কারণ আমি যদি আপনাকে বলি, আপনি এখান থেকে প্রতিমাসে ২০,০০০+ আয় করতে পারবেন তাহলে কিন্তু আপনি বিশ্বাস করবেন না। এখনি ভুয়া ভেবে হয়তো পিছুহটবেন। তবে আমি আপনাকে এখনি হিসেবটা মিলিয়ে দিতে পারি। কিন্তু আমি আগেই বলেছি এর সিস্টেম অন্যান্য পিটিসি সাইট থেকে আলাদা। তাই আপনি শুধু এই পোস্ট টি পরে হয়ত এখনি হিসেবটা নাও বুঝতে পারেন। 
তবুও আপনাকে হিসেবটা দেখাচ্ছি... আসাকরি কিছুটা হলেও বুঝাতে পারবো। আর বাকিটা কিছুদিন কাজ করলেই বুঝতে পারবেন। 

Paidverts 
থেকে আয়ের দুইটি পদ্ধতি আছেঃ- 
(
১) পেইড অ্যাড দেখে আয়ঃ প্রতিটি অ্যাড দেখতে আপনার সময় লাগবে ৪০ সেকেন্ড। এখানে প্রতিটি অ্যাড ০.০০০৫ থেকে শুরু করে ২০০ ডলারের পর্যন্ত হয়ে থাকে। তাই বলে ভাব্বেন না আপনি প্রথম দিনেই ২০০ ডলারএর অ্যাড পাবেন। এটি নির্ভর করে কার কত BAP (Bonus add point) আছে তার উপর। যার যত বেশি BAP থাকবে সে তত বড় গ্রুপ এর মেম্বার হবে। আর যে যত বড়গ্রুপ এর মেম্বার সে তত দামি অ্যাড পাবে। (BAP এবং Group সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হয়েছে।) 
আপনার সাধারণ টার্গেট থাকবে Group Number 5 
 আপনি যদি আমার এই লিঙ্কে ক্লিক করে জয়েন করেন 
তবে সহজে জয়েন করতে পারবেন
এবং আগামিতে এই বেপারে সহজগিতার আশ্বাস রইলআমার এই লিঙ্কে ক্লিক করে

Wednesday, 22 June 2016

কোনটা কোন কারক সহজেই চিনবেন যে কৌশলে

কোনটা কোন কারক সহজেই চিনবেন যে কৌশলে

#‎কারক‬ চেনার সহজ উপায় :
_____________________________
১। কে? / কীসে + ক্রিয়া = কর্তৃকারক
* বাক্যের প্রধান কর্তা।


যেমন :
‪#‎ঘোড়ায়‬( কে?) গাড়ি টানে।
‪#‎পাখি‬ (কীসে?) সব, করে রব।
.
২। কী? / কাকে? + ক্রিয়া = কর্মকারক।
* কর্তার কাজ বোঝাবে।

যেমন :
অর্থ ‪#‎অনর্থ‬ (কী?) ঘটায়?
‪#‎ডাক্তারকে‬ ( কাকে?) ডাক।
.
৩। (কী / কীসের ) দ্বারা? + ক্রিয়া = করণ কারক।
* মাধ্যম বোঝাবে।

যেমন :
ছেলেরা ‪#‎ফুটবল‬ ( কী দ্বারা?) খেলছে।
‪#‎টাকায়‬ ( কীসের দ্বারা?) বাঘেরদুধ মেলে।
.
৪। কাকে দান করা হল? = সম্প্রদান কারক।
* স্বত্ব ত্যাগ বোঝাবে।
.
যেমন :
‪#‎শীতার্তকে‬ ( কাকে দান করা হল?
) বস্ত্র দাও।
‪#‎সৎপাত্রে‬ ( কীসে দান?) কন্যা দান করিও।
.
৫। ( কী/কীসের /কোথা) থেকে? + ক্রিয়া = অপদান কারক।
* গৃহীত, উৎপন্ন, চলিত, পতিত ইত্যাদি বোঝাবে।

যেমন :
‪#‎স্কুল‬ ( কীসের থেকে?) পালিয়ে পণ্ডিত হওয়া যায়না।
‪#‎সরিষা‬ থেকে ( কী থেকে?) তেল হয়।
.
৬। কখন? /কোথায়? / কীভাবে?/ বিষয়ে? + ক্রিয়া = অধিকরণ কারক।
* স্থান, কাল,বিষয়, ভাব বোঝাবে।
.
যেমন :
‪#‎ভোরবেলা‬ ( কখন? ) সূর্য উঠে।
সে ‪#‎বাড়ী‬ ( কোথায়? ) নাই?

Sunday, 17 April 2016

Use “Pin It For Later links”

৩। Use “Pin It For Later links”: এই ক্ষেত্রে যাঁরা Blogger এ ব্লগিং করেন তাঁদের ক্ষেত্রে বেশ কার্যকর তবে অন্য ব্লগের ক্ষেত্রেও ভাল কাজ করে। প্রথমে আপনার ইমেজ ব্যবহার করে ব্লগে আর্টিকেল লিখুন। এরপর সেই আর্টিকেল থেকে যে কোন ছবি নিয়ে পিনটারেস্টে একটা পিন করুন। এখন নিচে প্রদত্ত ছবির মত সেই পিনের লিঙ্ক কপি করে নিন।
23
এরপর ঠিক ঐ একই ছবি ব্যবহার করে গুগল প্লাসে সংক্ষিপ্ত আকারে আপনার ব্লগের বর্ণনা অনুযায়ী পোষ্ট দিন। পোষ্টের নিচে আপনার ব্লগের পোষ্টের লিঙ্ক দিয়ে দিন। যাতে ভিজিটর ইচ্ছা করলে তখনই পড়তে পারে আবার ইচ্ছা করলে পরেও পড়ে দেখতে পারে। এরপর এই লিঙ্কের ঠিক নিচে আপনার পিনটারেস্টের ঠিক সেই লিঙ্কটি যেটি আপনি আপনার ব্লগ থেকে পিন করেছিলেন সেই লিঙ্ক “Pin it for later” লিখে তার সাথে জুড়ে দিন। এটা অনেক কার্যকর একটা পন্থা যার মাধ্যমে পাঠক পরে পড়ার জন্য পিন করে রাখতে পারবে। তবে বর্তমানে অন্যান্য CMS এ এর প্রয়োজন নেই। কারণ, পিনটারেস্টের নিজস্ব HTML Code আছে যেটা আপনি আপনার ব্লগে বসিয়ে খুব সুন্দর পিনটারেস্ট বাটন তৈরি করতে পারবেন যাতে পাঠকেরা আপনার লিখা ইচ্ছা হলে যখন তখন পিনটারেস্টে শেয়ার/পড়তে পারে।
২৪। Promote Your Presence: এক্ষেত্রে বর্তমান ট্রেন্ড ফলো করুন। বর্তমানে কোন বিষয়ের উপর পিন হচ্ছে বেশি। অর্থাৎ বর্তমান ঋতু, কোন ছুটি, বিশেষ দিবস যেমন Black Friday, Halloween, Christmas, Valentines Day প্রভৃতি বর্তমান ট্রেন্ড এইসবের উপর পিন করতে থাকুন। এছাড়া এইসব বিষয়ের পিন আপনার বিভিন্ন অন্যান্য সোস্যল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ক্রস শেয়ার করতে পারেন। এখানে কিছু আইডিয়াঃ
  • পিনটারেস্টের আপনার পিন সমূহকে সপ্তাহে ২-৩ বার টুইট করুন।
  • ফেসবুকে আপনার পিন গুলোর মাঝে থেকে যে কোন পিন সপ্তাহে অন্তত একবার পোষ্ট আকারে দিন নাহলে ২ সপ্তাহে অন্তত একবার পোষ্ট আকারে দিন।
  • মাসে অন্তত একবার আপনার প্রোফাইল সম্পর্কে বর্ণনা দিয়ে আপনার টার্গেটেড কাস্টমারকে/ভিজিটরকে মেইল করুন। সাথে আপনার প্রোফাইলের/নির্দিষ্ট বোর্ডের Widget এর লিঙ্ক দিয়ে দিতে পারেন। Widget তৈরি করুন এখান থেকে ।
  • আপনার ফেসবুক ফ্যান পেজে ফ্রি পিনটারেস্ট এ্যাপ যোগ করুন এই লিঙ্ক থেকে। এর ফলে আপনার ফেসবুক প্রোফাইলের ভিজিটর যে কোন সময় আপনার পেজের ট্যাব সেকশনের পিনটারেস্ট ট্যাব থেকে আপনার পিনটারেস্টের খবর নিতে পারবেন। এখানে বলে রাখা ভালো, আপনি যদি চান আপনার ফেসবুক ফ্যানপেজের পিনটারেস্ট ট্যাবে আপনার পিনটারেস্টের পুরো প্রোফাইল দেখাবেন, তাও পারবেন আবার যদি মনে করেন আপনার কোন বিশেষ বোর্ডের পিন দেখাবেন তাও পারবেন।
২৫। Drive Traffic With Blog Boards: আপনার ব্লগের নামের সাথে মিল রেখে একটি ব্লগ বোর্ড করতে পারেন। এক্ষেত্রে ভিজিটরের জন্য আপনার ব্লগের সমস্ত পোষ্ট একটি মাত্র বোর্ডে খুঁজে পেতে সুবিধা হবে। এছাড়া আপনার বোর্ডের নামের সাথে আপনার সাইটের Keyword মিল রাখতে ভুলবেন না যেন। এর ফলে সার্চ ইঞ্জিনের সাহায্যে আপনার বোর্ড খুঁজে পেতে সুবিধা হবে। আপনার সাইটের ব্লগ পোষ্ট করার পরে আপনার বোর্ডে পিন করুন। এর সাথে আপনার পোষ্টের বিশদ আকর্ষণীয় করে বর্ণনা দিয়ে দিন। তার সাথে অবশ্যই ভালো রেজুলেশনের ছবি আর আপনার উক্ত ব্লগ পোষ্টের লিঙ্ক দিতে ভুলবেন না যেন।
২৬। Track Pins from Competitor Domins: এখানে Pinalerts নামে একটি এ্যাপ সম্পর্কে আলোচনা করব যার সাহায্যে আপনার কম্পিটিটর কী কী পিন করছে তার একটি এ্যালারট বা নোটিফিকেশন পাবেন। যেমন ধরুন, abc.com আর def.com এই দুইটি ওয়েবসাইট আপনার প্রতিযোগী। তারা বিভিন্ন সময় পিন করে থাকে। তাহলে Pinalerts থেকে আপনার কম্পিটিটর কখন, পিনটারেস্টের কোন প্রোফাইল থেকে পিন করছে তা জানতে পারবেন। এই সময় আপনি তাদের বোর্ডের/প্রোফাইলের পিন সংখ্যা, ফলোয়ার, বোর্ড সংখ্যা প্রভৃতি জানতে পারবেন। যদি দেখেন যে তারা আপনার প্রোফাইলের/বোর্ডের সাথে মিলে যায় এমন কন্টেন্ট পিন করছে আর তাতে ভালই সাড়া পাচ্ছে তাহলে তাদের ফলো করা শুরু করুন। এর ফলে হতেও পারে তারাও আপনাকে ফলো করা শুরু করবে এবং আপনার পিন রিপিন করা শুরু করবে। Pinalerts পাবেন এই লিংকে
২৭। Tag Other Pinterest User Using @username: আপনার পিনে অন্যান্য পিনটারেস্ট ব্যবহারকারীদের ট্যাগ করে তাদের এঙ্গেজমেন্ট বাড়াতে পারেন। যখন পিনের Description লিখবেন তখন @ এর পর Username বসিয়ে অর্থাৎ ট্যাগ করে দিতে পারেন। এটা যেহেতু খুব কম সংখ্যক মানুষ ব্যবহার করছে তাই এটাতে ফল আসা খুব সহজ।
২৮। Comment on Other People’s Pin: অন্যের পিনে কমেন্টের কথা বলা হচ্ছে এই কারণে যে, এটি অনেকটা অন্যের ব্লগে কমেন্ট করার মত। এতে অন্য কেউ সেই পিনে কমেন্ট করতে এসে আপনার প্রোফাইল ঘাঁটতে যেয়ে আপনাকে ফলোও করতে পারে। এটা অনেকটা কার্যকর। তবে কারো পিনে কমেন্ট করার পূর্বে যথাযথ ভদ্রতা বজায় রাখবেন বলে আশা রাখি।
২৯। Like Other People’s Pin: অন্যের পিনে সময় পেলে লাইক করবেন। এতে আপনার প্রোফাইলের গ্রহনযোগ্যতা বাড়াবে।
৩০। Pin From Different Sources: এই ক্ষেত্রে দেখা যায় অনেকেই একই বিষয়ের উপর পিন করতেই থাকেন করতেই থাকেন। এটা নিজের ক্ষেত্রে ভেবে দেখুন আপনি যদি কোন প্রোফাইলের পিনের ভিজিটর হোন। আপনি কী তাকে ফলো করবেন না তার থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করবেন? তাই সময় নিয়ে সবসময় আপনার বিজনেসের/প্রোফাইলের সাথে সঙ্গতি রেখে পিন না করে অনেক ফানি কিছু খুঁজে বের করুন আর নতুন ফানি কোন নাম দিয়ে বোর্ড তৈরি করে পিন করতে থাকুন। দেখবেন অনেকেই আপনার ঐ বোর্ডের পিন রিপিন করবে আবার শুধু অনেকেই ঐ বোর্ডকেই ফলো করবে।
৩১। Repin and Repin: অন্যের বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ কিছু দেখলে রিপিন করুন। এর ফলে আপনি যার বোর্ডের রিপিন করবেন সে আপনার রিপিনের খবর ইমেইলের মাধ্যমে পেয়ে যাবেন, এটা তার ক্রেডিট। ফলে সেও আপনাকে ফলো করতে শুরু করবে।
৩২। Don’t Over Promote: নিজের ব্লগের পিন করবেন এটা স্বাভাবিক। কিন্তু অতিরিক্ত কোন কিছুই ভালনা। তাই নিজের পিনের সাথে অন্যের পিনকে রিপিন করতে থাকুন। কারণ, নিজের পিন সবসময় করতে থাকলে ভিজিটরের কাছে আপনার প্রোফাইল বোরিং হয়ে যেতে পারে। এই ক্ষেত্রে অন্যান্য সোস্যল মিডিয়া সাইটের মত পিন করার ক্ষেত্রে নিয়ম মানাটাও একই।
৩৩। Pin Videos: এটা এখনো তেমন ভাইরাল আকারে পিনটারেস্টে ছড়ায়নি। তাই এই সুযোগে আপনি ইচ্ছা করলে ইউটিউবে আপনার ভিডিও আপলোড করে এখানে সেটি পিন করার মাধ্যমে প্রমোশন চালিয়ে যেতে পারেন। এতে আপনার ভিজিটরের আগ্রহ বেশি হওয়াটাই স্বাভাবিক। একসাথে দুই কাজ হয়ে যেতে পারে। আপনার ইউটিউবে সাবস্ক্রাইবার বাড়লো আবার আপনার পিনটারেস্ট প্রোফাইলের ভিজিটর আকর্ষণ বাড়লো। ভিডিও পিন করার ক্ষেত্রে ঠিক নিজের পিসি থেকে কোন কিছু পিন করার মতই যাষ্ট “Pin from a website” অপশন এ যেয়ে ওয়েবসাইটের যায়গায় ইউটিউবের ভিডিও লিঙ্ক দিয়ে দিবেন। ওয়েবসাইটের লিঙ্ক দিয়ে পিন করার ক্ষেত্রে অবশ্যই http:// অথবা https:// ছাড়াই লিঙ্ক দিবেন।
অনেক কিছুই লিখা হলো। সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং সম্পর্কে আরো জানতে আর নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে ফেসবুকে আমাদের Social Media Marketing BD গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। আর কিছু যোগ বা বিয়োগ করার প্রয়োজন থাকলে দয়া করে কমেন্টে জানাবেন। তাই আজ এই পর্যন্তই। পরবর্তী টিউটোরিয়ালে আরো অনেক কিছু আলোচনা করতে পারবো বলে আশা রাখি। ভালো থাকবেন আর আমার জন্য দোয়া রাখবেন। আল্লাহ্‌ হাফেয
চলবে…

বিস্তারিত আলোচনা

Pinterest Marketing https://www.facebook.com/groups/SocialMediaBangladesh/
সকল পাঠকবৃন্দকে আমার টিউটোরিয়ালে আবারো শুভেচ্ছা। আমি গত পর্বে খুব সাধারণ খুঁটিনাটি নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। যেখানে শুরুতে একজন বিগিনারের জন্য কিছু বেসিক গাইডলাইন দেয়া ছিল। আমার গত টিউটোরিয়াল দেখতে পাবেন এখানে। আজ কিছুটা
Pinterest Marketing https://www.facebook.com/groups/SocialMediaBangladesh/
সকল পাঠকবৃন্দকে আমার টিউটোরিয়ালে আবারো শুভেচ্ছা। আমি গত পর্বে খুব সাধারণ খুঁটিনাটি নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। যেখানে শুরুতে একজন বিগিনারের জন্য কিছু বেসিক গাইডলাইন দেয়া ছিল। আমার গত টিউটোরিয়াল দেখতে পাবেন এখানে। আজ কিছুটা বিস্তারিত আলোচনা করতে যাচ্ছি পিনটারেস্ট যখন মার্কেটিং প্ল্যাটফর্ম এর দ্বিতীয় পর্ব। তাহলে শুরু করা যাক।
১৮। Board: গত পর্বে Board Create নিয়ে কিছুটা ধারণা দিয়েছিলাম। আজ এর বিস্তারিত দেবার চেষ্টা করছি।
  • Board Name: এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার ওয়েব সাইটের নামের বা প্রোডাক্টের নামের সাথে মিল রেখে আপনার বোর্ডের নাম দিন। কিন্তু কিছু ব্যাপার সবসময় ইউনিক হলে ভাল হয়। যেমন, কিছু আই ক্যাচিং নাম হতে পারে “Funny Stuff”অথবা “The SEO soft I like most”এই ধরণের নাম যেটা সাধারণত ভিজিটরের বা আপনার ফলোয়ারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। কারণ, ভিজিটর আপনাকে হাজার জনের মাঝে থেকে কেনো ফলো করবে যেখানে হাজার রকমের পিনার বা বোর্ড আছে? নিশ্চই কিছু ইউনিক থাকা প্রয়োজন। আপনি নিজের ক্ষেত্রেই ভেবে দেখুন, গতানুগতিক বোর্ডকে আপনি ফলো করবেন না যেই বোর্ডের কিছু মজার নাম যেটা আপনার দৃষ্টি আকর্ষন করছে সেটাকে ফলো করবেন? প্রকৃতপক্ষে মানুষ সবসময় ভিন্ন রকম যেটা সচরাচর দেখা বা পাওয়া যায়না সেইসব বস্তু বা ঘটনার প্রতি আকৃষ্ট হয়। আর পূর্বেই বলে রেখেছি, আপনার বোর্ডের নামের সাথে মিল রেখে পিন করুন। আজেবাজে কন্টেন্ট পিন না করে বেছে বেছে মানসম্মত পিন করার চেষ্টা করুন।
  •  Cover: এক্ষেত্রে আপনার বোর্ডের একটি খুব আকর্ষনীয় কাভার ফটো হওয়া খুব জরুরী। কারণ, যখন ভিজিটর আপনার প্রোফাইলে আসবেন তখন তিনি আপনার বিভিন্ন বোর্ড ঘেঁটে দেখবেন অনেক সময় বিভিন্ন বোর্ডে ঢুঁ মেরে দেখতে পারেন। কিন্তু সাধারণত ভিজিটর কোনো বোর্ডে প্রবেশ করলে তার পক্ষে সব পিন দেখা সম্ভব হয়না। এতে অনেকেই বোর্ডের কাভার ফটো দেখে ফলো দিয়ে যায়। তাই আকর্ষণীয় কাভার ফটো একটা জরুরী উপাদান। কাভার ফটো তৈরি করার জন্য https://www.canva.com/ এ দেখতে পারেন। এখানে একটি ভাল মানের আকর্ষণীয় পিন কিভাবে তৈরি করা যায় তার টিউটোরিয়াল দেয়া আছে। রেজিষ্ট্রেশন করে ডান পার্শ্বে + বাটনে চাপ দিয়ে দেখুন পিনটারেস্ট নামে অপশন আছে। সেখানে প্রবেশ করলে দেখতে পাবেন বিভিন্ন রকমের লেয়াউট দেয়া আছে। সেখান থেকে আপনার পছন্দের লেয়াউট নিয়ে ইচ্ছামত ডিজাইন করার চেষ্টা করুন। আর তাদের টিউটোরিয়াল দেয়া আছে Learn Design নামে অপশনে। সেটা দেখে নিলে খুব ভাল হয়। এছাড়াও, YouTube -এ Canva ব্যবহার করে কিভাবে ডিজাইন করা যায় সে সম্পর্কে অনেক ভিডিও টিউটোরিয়াল পাবেন। এখানে বলে রাখা ভাল, আপনি Canva ছাড়াও নিজে নিজেই ডিজাইন করতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে মনে রাখবেন, লম্বা বা Vertical ইমেজ পিনটারেস্টের জন্য সবসময় আকর্ষণীয়। যদি আপনি গ্রাফিকের কাজ টুকটাক পারেন তবে এই ক্ষেত্রে কিছু আকর্ষণীয় ইমেজ নিয়ে আপনি পিন তৈরি করতে পারেন। এক্ষেত্রে ইমেজের সাইজের অনুপাত পিক্সেল অনুসারে ২:৩ অর্থাৎ আপনি যদি প্রস্থ্যে ৮০০ পিক্সেলের ছবি নেন তাহলে লম্বায় ১২০০ পিক্সেলের নিতে হবে। আবার ইচ্ছা করলে আপনি ছবি ১:৩.৫ অনুপাতে ডিজাইন করতে পারেন। যেমন, প্রস্থ্যে ৪০০ পিক্সেলের একটা ছবি লম্বায় ১৪০০ পিক্সেলে নিতে পারেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে ১:৩.৫ অনুপাতের ছবি পিন করার সময় একটু ভুল হলেই কেটে যেতে পারে। তাই এই অনুপাত না নেয়াই শ্রেয়। ছবি সংক্রান্ত বিভিন্ন খুঁটিনাটি নিয়ে এই ভিডিওটা দেখতে পারেন এখানে থেকে 
  •  Interesting Facts: সবসময় গতানুগতিক বোর্ড তৈরি না করে ভিজিটর যাতে বিরক্ত বা একঘেঁয়ে না হয়ে যায় সেজন্য কিছু মজার বিষয় নিয়ে বোর্ড তৈরি করুন। যেমন, আমি বেড়াল আর পোষা প্রাণী নিয়ে একটা বোর্ড তৈরি করে রেখেছি। অনেক সময় এই বোর্ডে পিন করি। তাতে ভালই সাড়া পাই। আবার কার্টুন বা কোট শেয়ারের বোর্ড তৈরি করেও রাখতে পারেন।
 ১৯। Quality Image: এই সম্পর্কে আসলে বলার পূর্বেই হয়ত বুঝতে পারছেন। কারণ,  ছবির রেজুলেশন আর কোয়ালিটি ভাল না হলে সব কষ্ট বৃথা। সুতরাং, আপনার ছবির কোয়ালিটি অবশ্যই থাকতে হবে। যেমন, ছবি কম করে হলেও ৬০০-৮০০ পিক্সেল প্রস্থ্যে আর দৈর্ঘ্যে ১০০০ পিক্সেল হওয়া লাগবেই। কারণ, মানসম্মত ছবি আপনার পিনের রেপুটেশনই শুধু বাড়ায় না আপনার ব্যবসার রেপুটেশনও বাড়ায়। সুতরাং, দীর্ঘ সময় ধরে ছবি বেছে পিন করুন। যেনতেন ভাবে বাছাই করা ছবি না দেয়াই শ্রেয়। আর, ছবির আকৃতির দিকে অবশ্যই নজর দিন। কারণ, আপনি এমন একটা ছবি বাছাই করলেন যেটার আকৃতি খুব ছোট তাহলে সেটা শেয়ার হবার সম্ভাবনা খুব কম। এই সময় ভিজিটর আপনার ছবির চাইতে একই ছবি যদি অন্য ব্লগে বা বোর্ডে বড় আকারে বা ভাল রেজুলেশনে থাকে তাহলে সেটাই শেয়ার করবে।
 ২০। Make Image Shareable: ছবি অবশ্যই শেয়ার যোগ্য করে রাখুন। অনেক সময় দেখা যায় অনেকেই ছবিতে নিজের কোম্পানির লোগো, পন্যের মূল্য বা অন্য কিছু জলছাপ দিয়ে রাখেন। এই সকল ছবি খুব কমই শেয়ার হবে। এমনকি পিন করার যোগ্যতা হারালেও হারাতে পারে। আপনার পন্যের মার্কেটিং এর সবকিছুই ছবির উপর থেকে দূরে রাখুন। আপনার ছবি শেয়ার হলে আপনা-আপনিই আপনার পন্য শেয়ার হবে। কারণ, নিচে বর্ণনার স্থলে তো পন্যের সকল তথ্য থাকছেই। আসলে পিনটারেস্ট আপনার পন্যের সরাসরি বিজ্ঞাপনের জন্য নয়। এখানে ভিজিটর আকর্ষণীয় বিভিন্ন জিনিষ খুঁজে থাকেন।
২১। Use QR Code: যেহেতু পিনটারেস্টে আকর্ষনীয় ছবি বেশি সংখ্যক শেয়ার করা হয় তাই আপনি ইচ্ছা করলে QR Code তৈরি করে পিন করতে পারেন। এতে শেয়ারের মাধ্যমে আপনার প্রতিষ্ঠানের সকল তথ্য নিয়ে আপনা-আপনি বিজ্ঞাপণ প্রচার হয়ে যাবে। আসলে, QR Code দেখতে আকর্ষণীয় হয়ে থাকে। এটা অনেকেই দেখতে পছন্দ করেন। ভিজিটর এটাকে আর্টওয়ার্ক মনে করে বলে শেয়ারের মাত্রা বেড়ে যেতেও পারে।
২২। Detail Description: আপনার পন্যের সকল বর্ণনা ছবির নিচে দিন। সঠিক Keyword দিয়ে মানসম্মত বর্ণনা লিখলে আপনার ছবি খুঁজে পাওয়া অনেক সহজ হবে। এতে আপনার ওয়েবসাইট আরো বেশি ভিজিটর আকৃষ্ট করতে পারবে। কারণ, যত Repin ততো ভিজিটর। যত বেশি পরিমানে লিখা শেয়ার করা যায় ততোই ভাল। যদিও Grid View –তে ১০০ শব্দের মত দেখা যায় তারপরও যারা ক্লিক করবেন তারা ৫০০ শব্দের কাছাকাছি শব্দের লিখা পড়তে পারবেন। এতে ভিজিটরের আপনার পন্যের সম্পর্কে একটা মোটামুটি ধারণা তৈরি হয়ে যাবে।
আপনার পিনের প্রতি বা প্রোফাইলের প্রতি আকর্ষন বৃদ্ধি করার জন্য ভিজিটরকে সঠিক মেসেজ দেবার চেষ্টা করুন। প্রথম দিন থেকেই পন্যের প্রচার শুরু না করে ধীরে ধীরে করুন। এছাড়াও, বর্তমান ট্রেন্ডকে লক্ষ্য রাখুন। অর্থাৎ, বর্তমানে কোন ট্রেন্ড চলছে। কোন পিন গুলো বেশি শেয়ার হচ্ছে। তাহলেই সেগুলো Repin করার মাধ্যমে আপনি আপনার প্রোফাইলের ভিজিটর বা ফলোয়ার বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবেন। Repin করার সময় শুধু Repin না করে তার নিচে আপনার ব্যাক্তিগত অর্থাৎ আপনার প্রচার সংশ্লিষ্ট বর্ণনা দিয়ে দিন। এতে ভিজিটর অবশ্যই বাড়বে। তবে পিন করার জন্য আপনার ব্রাউজারে এখান থেকে পিনটারেস্ট বাটন যোগ করে নিতে পারবেন। এতে সহজেই যে কোন কিছু আপনি পিন করতে পারবেন।
আজ এই পর্যন্তই। পরের পর্বে আরো কিছু শেয়ার করার চেষ্টা করবো ইন শা আল্লাহ্‌। আরো কিছু জানার জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপSocial Media Marketing BD -এ জয়েন করতে পারেন। ভাল থাকুন আর আমার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ্‌ হাফেয।করতে যাচ্ছি পিনটারেস্ট যখন মার্কেটিং প্ল্যাটফর্ম এর দ্বিতীয় পর্ব। তাহলে শুরু করা যাক।
১৮। Board: গত পর্বে Board Create নিয়ে কিছুটা ধারণা দিয়েছিলাম। আজ এর বিস্তারিত দেবার চেষ্টা করছি।
  • Board Name: এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার ওয়েব সাইটের নামের বা প্রোডাক্টের নামের সাথে মিল রেখে আপনার বোর্ডের নাম দিন। কিন্তু কিছু ব্যাপার সবসময় ইউনিক হলে ভাল হয়। যেমন, কিছু আই ক্যাচিং নাম হতে পারে “Funny Stuff”অথবা “The SEO soft I like most”এই ধরণের নাম যেটা সাধারণত ভিজিটরের বা আপনার ফলোয়ারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। কারণ, ভিজিটর আপনাকে হাজার জনের মাঝে থেকে কেনো ফলো করবে যেখানে হাজার রকমের পিনার বা বোর্ড আছে? নিশ্চই কিছু ইউনিক থাকা প্রয়োজন। আপনি নিজের ক্ষেত্রেই ভেবে দেখুন, গতানুগতিক বোর্ডকে আপনি ফলো করবেন না যেই বোর্ডের কিছু মজার নাম যেটা আপনার দৃষ্টি আকর্ষন করছে সেটাকে ফলো করবেন? প্রকৃতপক্ষে মানুষ সবসময় ভিন্ন রকম যেটা সচরাচর দেখা বা পাওয়া যায়না সেইসব বস্তু বা ঘটনার প্রতি আকৃষ্ট হয়। আর পূর্বেই বলে রেখেছি, আপনার বোর্ডের নামের সাথে মিল রেখে পিন করুন। আজেবাজে কন্টেন্ট পিন না করে বেছে বেছে মানসম্মত পিন করার চেষ্টা করুন।
  •  Cover: এক্ষেত্রে আপনার বোর্ডের একটি খুব আকর্ষনীয় কাভার ফটো হওয়া খুব জরুরী। কারণ, যখন ভিজিটর আপনার প্রোফাইলে আসবেন তখন তিনি আপনার বিভিন্ন বোর্ড ঘেঁটে দেখবেন অনেক সময় বিভিন্ন বোর্ডে ঢুঁ মেরে দেখতে পারেন। কিন্তু সাধারণত ভিজিটর কোনো বোর্ডে প্রবেশ করলে তার পক্ষে সব পিন দেখা সম্ভব হয়না। এতে অনেকেই বোর্ডের কাভার ফটো দেখে ফলো দিয়ে যায়। তাই আকর্ষণীয় কাভার ফটো একটা জরুরী উপাদান। কাভার ফটো তৈরি করার জন্য https://www.canva.com/ এ দেখতে পারেন। এখানে একটি ভাল মানের আকর্ষণীয় পিন কিভাবে তৈরি করা যায় তার টিউটোরিয়াল দেয়া আছে। রেজিষ্ট্রেশন করে ডান পার্শ্বে + বাটনে চাপ দিয়ে দেখুন পিনটারেস্ট নামে অপশন আছে। সেখানে প্রবেশ করলে দেখতে পাবেন বিভিন্ন রকমের লেয়াউট দেয়া আছে। সেখান থেকে আপনার পছন্দের লেয়াউট নিয়ে ইচ্ছামত ডিজাইন করার চেষ্টা করুন। আর তাদের টিউটোরিয়াল দেয়া আছে Learn Design নামে অপশনে। সেটা দেখে নিলে খুব ভাল হয়। এছাড়াও, YouTube -এ Canva ব্যবহার করে কিভাবে ডিজাইন করা যায় সে সম্পর্কে অনেক ভিডিও টিউটোরিয়াল পাবেন। এখানে বলে রাখা ভাল, আপনি Canva ছাড়াও নিজে নিজেই ডিজাইন করতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে মনে রাখবেন, লম্বা বা Vertical ইমেজ পিনটারেস্টের জন্য সবসময় আকর্ষণীয়। যদি আপনি গ্রাফিকের কাজ টুকটাক পারেন তবে এই ক্ষেত্রে কিছু আকর্ষণীয় ইমেজ নিয়ে আপনি পিন তৈরি করতে পারেন। এক্ষেত্রে ইমেজের সাইজের অনুপাত পিক্সেল অনুসারে ২:৩ অর্থাৎ আপনি যদি প্রস্থ্যে ৮০০ পিক্সেলের ছবি নেন তাহলে লম্বায় ১২০০ পিক্সেলের নিতে হবে। আবার ইচ্ছা করলে আপনি ছবি ১:৩.৫ অনুপাতে ডিজাইন করতে পারেন। যেমন, প্রস্থ্যে ৪০০ পিক্সেলের একটা ছবি লম্বায় ১৪০০ পিক্সেলে নিতে পারেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে ১:৩.৫ অনুপাতের ছবি পিন করার সময় একটু ভুল হলেই কেটে যেতে পারে। তাই এই অনুপাত না নেয়াই শ্রেয়। ছবি সংক্রান্ত বিভিন্ন খুঁটিনাটি নিয়ে এই ভিডিওটা দেখতে পারেন এখানে থেকে 
  •  Interesting Facts: সবসময় গতানুগতিক বোর্ড তৈরি না করে ভিজিটর যাতে বিরক্ত বা একঘেঁয়ে না হয়ে যায় সেজন্য কিছু মজার বিষয় নিয়ে বোর্ড তৈরি করুন। যেমন, আমি বেড়াল আর পোষা প্রাণী নিয়ে একটা বোর্ড তৈরি করে রেখেছি। অনেক সময় এই বোর্ডে পিন করি। তাতে ভালই সাড়া পাই। আবার কার্টুন বা কোট শেয়ারের বোর্ড তৈরি করেও রাখতে পারেন।
 ১৯। Quality Image: এই সম্পর্কে আসলে বলার পূর্বেই হয়ত বুঝতে পারছেন। কারণ,  ছবির রেজুলেশন আর কোয়ালিটি ভাল না হলে সব কষ্ট বৃথা। সুতরাং, আপনার ছবির কোয়ালিটি অবশ্যই থাকতে হবে। যেমন, ছবি কম করে হলেও ৬০০-৮০০ পিক্সেল প্রস্থ্যে আর দৈর্ঘ্যে ১০০০ পিক্সেল হওয়া লাগবেই। কারণ, মানসম্মত ছবি আপনার পিনের রেপুটেশনই শুধু বাড়ায় না আপনার ব্যবসার রেপুটেশনও বাড়ায়। সুতরাং, দীর্ঘ সময় ধরে ছবি বেছে পিন করুন। যেনতেন ভাবে বাছাই করা ছবি না দেয়াই শ্রেয়। আর, ছবির আকৃতির দিকে অবশ্যই নজর দিন। কারণ, আপনি এমন একটা ছবি বাছাই করলেন যেটার আকৃতি খুব ছোট তাহলে সেটা শেয়ার হবার সম্ভাবনা খুব কম। এই সময় ভিজিটর আপনার ছবির চাইতে একই ছবি যদি অন্য ব্লগে বা বোর্ডে বড় আকারে বা ভাল রেজুলেশনে থাকে তাহলে সেটাই শেয়ার করবে।
 ২০। Make Image Shareable: ছবি অবশ্যই শেয়ার যোগ্য করে রাখুন। অনেক সময় দেখা যায় অনেকেই ছবিতে নিজের কোম্পানির লোগো, পন্যের মূল্য বা অন্য কিছু জলছাপ দিয়ে রাখেন। এই সকল ছবি খুব কমই শেয়ার হবে। এমনকি পিন করার যোগ্যতা হারালেও হারাতে পারে। আপনার পন্যের মার্কেটিং এর সবকিছুই ছবির উপর থেকে দূরে রাখুন। আপনার ছবি শেয়ার হলে আপনা-আপনিই আপনার পন্য শেয়ার হবে। কারণ, নিচে বর্ণনার স্থলে তো পন্যের সকল তথ্য থাকছেই। আসলে পিনটারেস্ট আপনার পন্যের সরাসরি বিজ্ঞাপনের জন্য নয়। এখানে ভিজিটর আকর্ষণীয় বিভিন্ন জিনিষ খুঁজে থাকেন।
২১। Use QR Code: যেহেতু পিনটারেস্টে আকর্ষনীয় ছবি বেশি সংখ্যক শেয়ার করা হয় তাই আপনি ইচ্ছা করলে QR Code তৈরি করে পিন করতে পারেন। এতে শেয়ারের মাধ্যমে আপনার প্রতিষ্ঠানের সকল তথ্য নিয়ে আপনা-আপনি বিজ্ঞাপণ প্রচার হয়ে যাবে। আসলে, QR Code দেখতে আকর্ষণীয় হয়ে থাকে। এটা অনেকেই দেখতে পছন্দ করেন। ভিজিটর এটাকে আর্টওয়ার্ক মনে করে বলে শেয়ারের মাত্রা বেড়ে যেতেও পারে।
২২। Detail Description: আপনার পন্যের সকল বর্ণনা ছবির নিচে দিন। সঠিক Keyword দিয়ে মানসম্মত বর্ণনা লিখলে আপনার ছবি খুঁজে পাওয়া অনেক সহজ হবে। এতে আপনার ওয়েবসাইট আরো বেশি ভিজিটর আকৃষ্ট করতে পারবে। কারণ, যত Repin ততো ভিজিটর। যত বেশি পরিমানে লিখা শেয়ার করা যায় ততোই ভাল। যদিও Grid View –তে ১০০ শব্দের মত দেখা যায় তারপরও যারা ক্লিক করবেন তারা ৫০০ শব্দের কাছাকাছি শব্দের লিখা পড়তে পারবেন। এতে ভিজিটরের আপনার পন্যের সম্পর্কে একটা মোটামুটি ধারণা তৈরি হয়ে যাবে।
আপনার পিনের প্রতি বা প্রোফাইলের প্রতি আকর্ষন বৃদ্ধি করার জন্য ভিজিটরকে সঠিক মেসেজ দেবার চেষ্টা করুন। প্রথম দিন থেকেই পন্যের প্রচার শুরু না করে ধীরে ধীরে করুন। এছাড়াও, বর্তমান ট্রেন্ডকে লক্ষ্য রাখুন। অর্থাৎ, বর্তমানে কোন ট্রেন্ড চলছে। কোন পিন গুলো বেশি শেয়ার হচ্ছে। তাহলেই সেগুলো Repin করার মাধ্যমে আপনি আপনার প্রোফাইলের ভিজিটর বা ফলোয়ার বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবেন। Repin করার সময় শুধু Repin না করে তার নিচে আপনার ব্যাক্তিগত অর্থাৎ আপনার প্রচার সংশ্লিষ্ট বর্ণনা দিয়ে দিন। এতে ভিজিটর অবশ্যই বাড়বে। তবে পিন করার জন্য আপনার ব্রাউজারে এখান থেকে পিনটারেস্ট বাটন যোগ করে নিতে পারবেন। এতে সহজেই যে কোন কিছু আপনি পিন করতে পারবেন।
আজ এই পর্যন্তই। পরের পর্বে আরো কিছু শেয়ার করার চেষ্টা করবো ইন শা আল্লাহ্‌। আরো কিছু জানার জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপSocial Media Marketing BD -এ জয়েন করতে পারেন। ভাল থাকুন আর আমার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ্‌ হাফেয।